ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আবারও ক্ষমতায় এলে দেশে কাঁচা রাস্তা থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৫৭ বার পড়া হয়েছে
NEWS396 অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় এলে দেশে কোনও কাঁচা রাস্তা থাকবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার কারণে দেশের উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ১৪ সেপ্টেম্বর গণভবনে ‘জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস-২০২৩’ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকায় দেশে স্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করায় দেশের উন্নয়নের কাজ করা যাচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক ধারাটা বজায় রাখতে পেরেছি, যার জন্য গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত উন্নয়নটা করতে পেরেছি। আমি জানি, এখনও অনেক গ্রামে কাঁচা রাস্তা আছে। সেগুলো আল্লাহর রহমতে থাকবে না। আবারও যদি জনগণের সেবা করবার সুযোগ পাই, নিশ্চয়ই আমরা সেগুলোও করে দেবো। কারণ, প্রত্যেকটা গ্রাম শহরের মতো করে গড়ে উঠবে।’

আমার গ্রাম, আমার শহর গঠনে সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে রাস্তাঘাট, পুল-ব্রিজ… আজকে যে পদ্মা সেতু নিয়ে আমাদের অভিযোগ দিয়েছিল, চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলাম নিজের অর্থে করবো, সেই চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখে নিজেদের অর্থে পদ্মা সেতু করেছি। পদ্মা রেললাইনও করে দিয়েছি। এখন আর যোগাযোগের অসুবিধা নেই।’

জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনারা তৃণমূলের মানুষের ভোটে নির্বাচিত, জনগণের সেবক। জনগণের কল্যাণে কাজ করা—এটা আপনার আমার সবার দায়িত্ব। এ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে মানুষের সেবা করে, মানুষের আস্থা-বিশ্বাস অর্জন করে, আপনারা এগিয়ে যাবেন। কারণ, একবার যখন মানুষ আপনাদের ভোট দিয়েছে, তারা যেন আবারও ভোট দিতে পারে, সেই আস্থা-বিশ্বাস আপনাদের অর্জন করতে হবে। আপনারা দেশের জন্য কাজ করুন। এ দেশকে ব্যর্থ হতে দেবেন না। আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।’

তিনি বলেন, ‘আজকের উন্নয়নটা দীর্ঘদিনের কষ্টের ফসল। এটা যেন আর নষ্ট না করতে পারে। কারণ, ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ পর্যন্ত যতটা এগিয়ে ছিলাম, বিএনপি-জামায়াত জোট সেটা পিছিয়ে দিয়েছিল। ২০০৯-২৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের যে অগ্রযাত্রা, এটা যেন অব্যাহত থাকে।’

জনগণের কাছে আমার এটাই আহ্বান থাকবে—জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলা, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলে এসডিজি বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উচ্চাসনে নিয়ে গিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। লাখো শহীদের রক্তে অর্জিত স্বাধীনতা ব্যর্থ হয়নি, ব্যর্থ হবে না, ব্যর্থ হতে দেবো না।’

মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধিদের দাঁড়াতে বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কেউ যেন মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ত না হয়, সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে হবে।’ সরকার মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডাসহ সব ধর্মীয় প্রার্থনালয় সংস্কারে অর্থ বরাদ্দ দিচ্ছে বলেও জানান সরকারপ্রধান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের উন্নয়নে আমরা কাজ করছি। আর বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই দেশকে পিছিয়ে দিয়েছে। বর্তমানে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে দেশে খাদ্য সামগ্রীর দাম বেড়েছে। ‌এ যুদ্ধের প্রভাব সারা বিশ্বেই পড়েছে। আমরা খাদ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার পদক্ষেপ নিয়েছি।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমাদের যতটুকু সম্পদ আছে, তা দিয়েই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। দেশের প্রতিটি গ্রামই শহরের মতো গড়ে তুলব। আমাদের প্রতি ইঞ্চি জায়গা আবাদ করতে হবে। আমরা নিজেদের খাদ্য নিজেরাই উৎপাদন করব। কারও কাছে হাত পাতব না।’

বর্তমান সরকারের আমলে সরকারের নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির আমলে ১৮ জন কৃষককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। আজ কৃষকের ঘরে সার পৌঁছে যায়। তাদের কৃষি উপকরণ কার্ড দিয়েছি। এটা দিয়ে কৃষি উপকরণ কিনতে পারে। ১০ টাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে। এর মাধ্যমে ভর্তুকির টাকা সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছে যায়। জেলেদের ৪০ কেজি করে চাল দিই।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘৯৬ সালে ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ছিল। আমরা ৪ হাজার ৩০০ করে যাই। পরে বিএনপির আমলে কমে গেছে সেটা। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর এখন ২৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করি। শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পায়। শিক্ষার্থীদের বই, বৃত্তি, উপবৃত্তি দিচ্ছি। ডিজিটাল সেন্টার করে দিচ্ছি। ইনকিউবেটর, হাইটেক পার্ক করে দিয়েছি। আজকের বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ। ৭৩ শতাংশ লোক ইন্টারনেট ব্যবহার করে। ঘরে ঘরে মোবাইল ফোন।’

তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করি। কোনো মানুষ দরিদ্র থাকবে না। নানাভাবে তাদের এগিয়ে নেওয়ার কাজ করছি। প্রতিবন্ধী, বয়স্ক, স্বামী পরিত্যক্তাদের ভাতা দিচ্ছি। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের স্বীকৃতি ও তাদের ভাতাও দিচ্ছি। ৫ কোটি মানুষের পারিবারিক কার্ড করে দিয়েছি। এটা দিয়ে স্বল্পমূল্যে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে এবং মশার হাত থেকে বাঁচতে হলে মশারি ব্যবহার করতে হবে। ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখতে হবে। মশা মেরে শেষ করা যাবে না। নিজেরাও সচেতন হতে হবে।’

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশনের মেয়র, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় সরকারের সব প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আবারও ক্ষমতায় এলে দেশে কাঁচা রাস্তা থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩

আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় এলে দেশে কোনও কাঁচা রাস্তা থাকবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার কারণে দেশের উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ১৪ সেপ্টেম্বর গণভবনে ‘জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস-২০২৩’ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকায় দেশে স্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করায় দেশের উন্নয়নের কাজ করা যাচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক ধারাটা বজায় রাখতে পেরেছি, যার জন্য গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত উন্নয়নটা করতে পেরেছি। আমি জানি, এখনও অনেক গ্রামে কাঁচা রাস্তা আছে। সেগুলো আল্লাহর রহমতে থাকবে না। আবারও যদি জনগণের সেবা করবার সুযোগ পাই, নিশ্চয়ই আমরা সেগুলোও করে দেবো। কারণ, প্রত্যেকটা গ্রাম শহরের মতো করে গড়ে উঠবে।’

আমার গ্রাম, আমার শহর গঠনে সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে রাস্তাঘাট, পুল-ব্রিজ… আজকে যে পদ্মা সেতু নিয়ে আমাদের অভিযোগ দিয়েছিল, চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলাম নিজের অর্থে করবো, সেই চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখে নিজেদের অর্থে পদ্মা সেতু করেছি। পদ্মা রেললাইনও করে দিয়েছি। এখন আর যোগাযোগের অসুবিধা নেই।’

জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনারা তৃণমূলের মানুষের ভোটে নির্বাচিত, জনগণের সেবক। জনগণের কল্যাণে কাজ করা—এটা আপনার আমার সবার দায়িত্ব। এ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে মানুষের সেবা করে, মানুষের আস্থা-বিশ্বাস অর্জন করে, আপনারা এগিয়ে যাবেন। কারণ, একবার যখন মানুষ আপনাদের ভোট দিয়েছে, তারা যেন আবারও ভোট দিতে পারে, সেই আস্থা-বিশ্বাস আপনাদের অর্জন করতে হবে। আপনারা দেশের জন্য কাজ করুন। এ দেশকে ব্যর্থ হতে দেবেন না। আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।’

তিনি বলেন, ‘আজকের উন্নয়নটা দীর্ঘদিনের কষ্টের ফসল। এটা যেন আর নষ্ট না করতে পারে। কারণ, ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ পর্যন্ত যতটা এগিয়ে ছিলাম, বিএনপি-জামায়াত জোট সেটা পিছিয়ে দিয়েছিল। ২০০৯-২৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের যে অগ্রযাত্রা, এটা যেন অব্যাহত থাকে।’

জনগণের কাছে আমার এটাই আহ্বান থাকবে—জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলা, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলে এসডিজি বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উচ্চাসনে নিয়ে গিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। লাখো শহীদের রক্তে অর্জিত স্বাধীনতা ব্যর্থ হয়নি, ব্যর্থ হবে না, ব্যর্থ হতে দেবো না।’

মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধিদের দাঁড়াতে বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কেউ যেন মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ত না হয়, সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে হবে।’ সরকার মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডাসহ সব ধর্মীয় প্রার্থনালয় সংস্কারে অর্থ বরাদ্দ দিচ্ছে বলেও জানান সরকারপ্রধান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের উন্নয়নে আমরা কাজ করছি। আর বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই দেশকে পিছিয়ে দিয়েছে। বর্তমানে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে দেশে খাদ্য সামগ্রীর দাম বেড়েছে। ‌এ যুদ্ধের প্রভাব সারা বিশ্বেই পড়েছে। আমরা খাদ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার পদক্ষেপ নিয়েছি।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমাদের যতটুকু সম্পদ আছে, তা দিয়েই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। দেশের প্রতিটি গ্রামই শহরের মতো গড়ে তুলব। আমাদের প্রতি ইঞ্চি জায়গা আবাদ করতে হবে। আমরা নিজেদের খাদ্য নিজেরাই উৎপাদন করব। কারও কাছে হাত পাতব না।’

বর্তমান সরকারের আমলে সরকারের নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির আমলে ১৮ জন কৃষককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। আজ কৃষকের ঘরে সার পৌঁছে যায়। তাদের কৃষি উপকরণ কার্ড দিয়েছি। এটা দিয়ে কৃষি উপকরণ কিনতে পারে। ১০ টাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে। এর মাধ্যমে ভর্তুকির টাকা সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছে যায়। জেলেদের ৪০ কেজি করে চাল দিই।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘৯৬ সালে ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ছিল। আমরা ৪ হাজার ৩০০ করে যাই। পরে বিএনপির আমলে কমে গেছে সেটা। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর এখন ২৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করি। শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পায়। শিক্ষার্থীদের বই, বৃত্তি, উপবৃত্তি দিচ্ছি। ডিজিটাল সেন্টার করে দিচ্ছি। ইনকিউবেটর, হাইটেক পার্ক করে দিয়েছি। আজকের বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ। ৭৩ শতাংশ লোক ইন্টারনেট ব্যবহার করে। ঘরে ঘরে মোবাইল ফোন।’

তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করি। কোনো মানুষ দরিদ্র থাকবে না। নানাভাবে তাদের এগিয়ে নেওয়ার কাজ করছি। প্রতিবন্ধী, বয়স্ক, স্বামী পরিত্যক্তাদের ভাতা দিচ্ছি। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের স্বীকৃতি ও তাদের ভাতাও দিচ্ছি। ৫ কোটি মানুষের পারিবারিক কার্ড করে দিয়েছি। এটা দিয়ে স্বল্পমূল্যে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে এবং মশার হাত থেকে বাঁচতে হলে মশারি ব্যবহার করতে হবে। ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখতে হবে। মশা মেরে শেষ করা যাবে না। নিজেরাও সচেতন হতে হবে।’

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশনের মেয়র, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় সরকারের সব প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।