ঢাকা ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রী চাইলেও এবার ভোটারবিহীন নির্বাচন হবে না- মির্জা ফখরুল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৩ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে
NEWS396 অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী চাইলেও এবার ভোটারবিহীন নির্বাচন করতে পারবেন না বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। যেভাবেই হোক এ দেশে নির্বাচন হবেই’ গতকাল শনিবার ঢাকার কাওলায় আওয়ামী লীগের সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রোববার দুপুরে এক সেমিনারে বিএনপি মহাসচিব এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘যারা এভাবে কথা বলে, যেভাবেই হোক নির্বাচন হবে। নির্বাচন তো আমরাও চাই এবং সেটা জনগনের অধিকারের জন্য চাই। কিন্তু সেই নির্বাচন অবশ্যই হতে হবে সেখানে জনগণ তার অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘শেখ হাসিনা চাইলেন যে, বিনা ভোটারের মাধ্যমেই তিনি নির্বাচিত হবেন… সেটা এবার হবে না। ২০১৪ সালে যা করতে পেরেছেন, ২০১৮ তে যেটা করতে পেরেছেন এবার ২০১৪ সালে সেই নির্বাচন আপনি করতে পারবেন। কারণ এবার মানুষ যেভাবে দাঁড়িয়েছে ঘুরে তাতে করে সেটা সম্ভব হবে না।’

গুলশানে লেকশোর হোটেলে বিএনপির উদ্যোগে ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে দেশীয়-আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভুমিকা’শীর্ষক এই সেমিনার হয়। অনুষ্ঠানে ‘নো কমেন্ট’সম্পাদিত গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন বিএনপি মহাসচিব। গ্রন্থটি সম্পাদনা করেছেন আলোকচিত্রী সাংবাদিক বাবুল তালুকদার। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন লেখকের লেখা নিয়ে এই গ্রস্থটি প্রকাশ করা হয়। কলি প্রকাশনীর এই গ্রস্থটি মূল্য হচ্ছে ৯৯৯ টাকা।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘একটা কথা আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে যেটা আমি আগেই বলেছি আপনাদেরকে যে, আমরা একা নই। যে কথাটা এখানে(সেমিনারে) আছে যে, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক শক্তি এখানে আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, পশ্চিমা বিশ্ব তাদের কমিটেড টু ডেমোক্রেসি… এটার ওপর আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে। তারা যে কমিটমেন্ট আছে গণতন্ত্রের প্রতি সেই কমিটমেন্ট কিন্তু আমাদেরকে সামাল দিতে পারছি, সেই কমিটমেন্ট আমাদেরকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করছে। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। একই সঙ্গে এটাও মনে রাখতে হবে আমরা যারা লড়াই করছি, সংগ্রাম করছি এটাকে সামনে আরও দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি যে, আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথ, আমাদের নেতা তারেক রহমান সাহেবের দেখানো পথ যেটা তিনি বার বার বলছেন যে, ফয়সালা হবে রাজপথে। রাজপথেই ফয়সালা করার জন্য আমরা রাজপথে নেমেছি, চূড়ান্ত বিজয় অবশই আমরা অবশ্যই অর্জন করতে সক্ষম হবো সেখানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় মুক্তি সম্ভব হবে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আসল কথা হচ্ছে, উনি (শেখ হাসিনা) কালকে বলে দিয়েছেন তোমরা যে যা বলো ভাই আমার সোনার হরিণ চাই। অর্থাৎ যে যাই বলুক, মার্কিন যুক্ত যাই বলুক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন যাই বলুক, আমরা রাজনৈতিক দলগুলো যাই বলি, উনার ওই সোনার হরিণ চাই। অর্থাৎ ক্ষমতায় কাউকে যেতে দেবো না। টোটাল সংকটটা ওই জায়গায়।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক-নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল গত বুধবার এক বিজ্ঞপ্তি বলেছে, বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে সরকার, রাজনৈতিক দল, নির্বাচন কমিশনসহ অংশীজনের তাছে পাঁচটি সুপারিশ রেখেছে। গত ৭ অক্টোবর মার্কিন প্রতিনিধি দলটি ঢাকায় এসেছিল এবং রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, নির্বাচন কমিশনসহ সরকার প্রধান শেখ হাসিনার সাথে বৈঠক করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকের প্রধানমন্ত্রী সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে ক্ষমতা জরবদখল করে, রাষ্ট্র ব্যবহার করে, জোর করে বসে আছেন তিনি এবারও যখন নির্বাচন করবেন যে, নির্বাচন আসছে তখন কিন্তু একই কায়দায় তিনি তফসিল পর্যন্ত নিয়ে যাচ্ছেন। মান্না সাহেব (মাহমুদুর রহমান মান্না) অত্যন্ত সুন্দর করে বলেছেন, সিদ্ধান্ত আমাদের এদেশের মানুষের, জনগনের সিদ্ধান্ত।তারা ১৯৭১ সালে যে স্বাধীনতার যুদ্ধ করেছিলো একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মানের জন্য সেই বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ করার জন্য আবার একটা লড়াই-সংগ্রামে নেমেছে। আমরা একটা গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে এই সংগ্রামে নেমেছি… শুধু আমরা না দেশের সকল দেশপ্রেমিক গণতন্ত্রের বিশ্বাস করি তাদের সকলকে এক সাথে নিয়ে আমরা গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করবার জন্যে রাস্তায় নেমে গেছি।’

তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে কিছু কিছু লোক আছেন যারা সবসময় হতাশায় ভোগেন। আমার একটা বিশ্বাস যে, মাঠে থাকলে এই হতাশা আসে না। আমি তো আমার দলের কোনো মানুষের মধ্যে, কর্মীদের মধ্যে, নেতাদের মধ্যে কোনো হতাশা দেখি না, আমাদের সাথে যারা আছেন যুগপৎ আন্দোলন যারা করছেন তাদের মধ্যে কোনো হতাশা দেখি না। আমরা বিশ্বাস করি এই সংগ্রামে অবশ্যই আমরা অবশ্যই জয়লাভ করবো কারণ আমরা সত্যের পথে আছি, সঠিক পথে আছি।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘কি হতে যাচ্ছে আগামী দিনগুলোতে। হাতে খুব বেশি সময় নাই, দুই মাস সময়। দুই মাসের মধ্যে লড়াই একটা চূড়ান্ত জায়গা যেতে হবে। সবাই জানি, পূজার পরে বৃহত্তর আন্দোলন। এমন আন্দোলন যাতে সরকার পড়ে যেতে পারে… তাই তো। আমরা কি জানি সেই বৃহত আন্দোলনটা কি? ইজ ইট বিগগার দ্যান শ্রীলংকা, ইজ ইট বিগগার দ্যান মিয়ানমার, ইজ ইট বিগগার দেন দিল্লী রিজনস…ওই নব্বইদিন ধরে যে অবরোধ করে রেখেছিলো … ততদূর পর্যন্ত। আমাদের খুবই সূক্ষ্ণভাবে সেটা রচনা করা দরকার। এখানে যদি মনে করেন আন্তর্জাতিক শক্তি সাপোর্টিজ বা সমর্থন থাকবে। তবে এখানকার বে্ইল(ঘন্টা) আপনাকেই বাজাতে হবে। এই বেইল(ঘন্টা) বাজানোর ক্ষেত্রে নেতৃত্বে যোগ্যতা ইত্যাদি ইত্যাদি অনেক কিছু বিবেচনায় আসে। এই পর্যন্ত এই নেতৃত্বে বিএনপি ওয়ান্ডারফুল। অধরয্য হওয়ার কিছু নেই। বিজয় আমাদের অবিসম্ভাবী।’’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক বোরহান উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আব্দুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, শাহজাহান ওমর, বরকত উল্লাহ বুলু, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বক্তব্য রাখেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্রধানমন্ত্রী চাইলেও এবার ভোটারবিহীন নির্বাচন হবে না- মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ০৬:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৩

প্রধানমন্ত্রী চাইলেও এবার ভোটারবিহীন নির্বাচন করতে পারবেন না বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। যেভাবেই হোক এ দেশে নির্বাচন হবেই’ গতকাল শনিবার ঢাকার কাওলায় আওয়ামী লীগের সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রোববার দুপুরে এক সেমিনারে বিএনপি মহাসচিব এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘যারা এভাবে কথা বলে, যেভাবেই হোক নির্বাচন হবে। নির্বাচন তো আমরাও চাই এবং সেটা জনগনের অধিকারের জন্য চাই। কিন্তু সেই নির্বাচন অবশ্যই হতে হবে সেখানে জনগণ তার অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘শেখ হাসিনা চাইলেন যে, বিনা ভোটারের মাধ্যমেই তিনি নির্বাচিত হবেন… সেটা এবার হবে না। ২০১৪ সালে যা করতে পেরেছেন, ২০১৮ তে যেটা করতে পেরেছেন এবার ২০১৪ সালে সেই নির্বাচন আপনি করতে পারবেন। কারণ এবার মানুষ যেভাবে দাঁড়িয়েছে ঘুরে তাতে করে সেটা সম্ভব হবে না।’

গুলশানে লেকশোর হোটেলে বিএনপির উদ্যোগে ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে দেশীয়-আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভুমিকা’শীর্ষক এই সেমিনার হয়। অনুষ্ঠানে ‘নো কমেন্ট’সম্পাদিত গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন বিএনপি মহাসচিব। গ্রন্থটি সম্পাদনা করেছেন আলোকচিত্রী সাংবাদিক বাবুল তালুকদার। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন লেখকের লেখা নিয়ে এই গ্রস্থটি প্রকাশ করা হয়। কলি প্রকাশনীর এই গ্রস্থটি মূল্য হচ্ছে ৯৯৯ টাকা।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘একটা কথা আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে যেটা আমি আগেই বলেছি আপনাদেরকে যে, আমরা একা নই। যে কথাটা এখানে(সেমিনারে) আছে যে, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক শক্তি এখানে আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, পশ্চিমা বিশ্ব তাদের কমিটেড টু ডেমোক্রেসি… এটার ওপর আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে। তারা যে কমিটমেন্ট আছে গণতন্ত্রের প্রতি সেই কমিটমেন্ট কিন্তু আমাদেরকে সামাল দিতে পারছি, সেই কমিটমেন্ট আমাদেরকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করছে। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। একই সঙ্গে এটাও মনে রাখতে হবে আমরা যারা লড়াই করছি, সংগ্রাম করছি এটাকে সামনে আরও দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি যে, আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথ, আমাদের নেতা তারেক রহমান সাহেবের দেখানো পথ যেটা তিনি বার বার বলছেন যে, ফয়সালা হবে রাজপথে। রাজপথেই ফয়সালা করার জন্য আমরা রাজপথে নেমেছি, চূড়ান্ত বিজয় অবশই আমরা অবশ্যই অর্জন করতে সক্ষম হবো সেখানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় মুক্তি সম্ভব হবে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আসল কথা হচ্ছে, উনি (শেখ হাসিনা) কালকে বলে দিয়েছেন তোমরা যে যা বলো ভাই আমার সোনার হরিণ চাই। অর্থাৎ যে যাই বলুক, মার্কিন যুক্ত যাই বলুক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন যাই বলুক, আমরা রাজনৈতিক দলগুলো যাই বলি, উনার ওই সোনার হরিণ চাই। অর্থাৎ ক্ষমতায় কাউকে যেতে দেবো না। টোটাল সংকটটা ওই জায়গায়।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক-নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল গত বুধবার এক বিজ্ঞপ্তি বলেছে, বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে সরকার, রাজনৈতিক দল, নির্বাচন কমিশনসহ অংশীজনের তাছে পাঁচটি সুপারিশ রেখেছে। গত ৭ অক্টোবর মার্কিন প্রতিনিধি দলটি ঢাকায় এসেছিল এবং রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, নির্বাচন কমিশনসহ সরকার প্রধান শেখ হাসিনার সাথে বৈঠক করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকের প্রধানমন্ত্রী সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে ক্ষমতা জরবদখল করে, রাষ্ট্র ব্যবহার করে, জোর করে বসে আছেন তিনি এবারও যখন নির্বাচন করবেন যে, নির্বাচন আসছে তখন কিন্তু একই কায়দায় তিনি তফসিল পর্যন্ত নিয়ে যাচ্ছেন। মান্না সাহেব (মাহমুদুর রহমান মান্না) অত্যন্ত সুন্দর করে বলেছেন, সিদ্ধান্ত আমাদের এদেশের মানুষের, জনগনের সিদ্ধান্ত।তারা ১৯৭১ সালে যে স্বাধীনতার যুদ্ধ করেছিলো একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মানের জন্য সেই বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ করার জন্য আবার একটা লড়াই-সংগ্রামে নেমেছে। আমরা একটা গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে এই সংগ্রামে নেমেছি… শুধু আমরা না দেশের সকল দেশপ্রেমিক গণতন্ত্রের বিশ্বাস করি তাদের সকলকে এক সাথে নিয়ে আমরা গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করবার জন্যে রাস্তায় নেমে গেছি।’

তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে কিছু কিছু লোক আছেন যারা সবসময় হতাশায় ভোগেন। আমার একটা বিশ্বাস যে, মাঠে থাকলে এই হতাশা আসে না। আমি তো আমার দলের কোনো মানুষের মধ্যে, কর্মীদের মধ্যে, নেতাদের মধ্যে কোনো হতাশা দেখি না, আমাদের সাথে যারা আছেন যুগপৎ আন্দোলন যারা করছেন তাদের মধ্যে কোনো হতাশা দেখি না। আমরা বিশ্বাস করি এই সংগ্রামে অবশ্যই আমরা অবশ্যই জয়লাভ করবো কারণ আমরা সত্যের পথে আছি, সঠিক পথে আছি।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘কি হতে যাচ্ছে আগামী দিনগুলোতে। হাতে খুব বেশি সময় নাই, দুই মাস সময়। দুই মাসের মধ্যে লড়াই একটা চূড়ান্ত জায়গা যেতে হবে। সবাই জানি, পূজার পরে বৃহত্তর আন্দোলন। এমন আন্দোলন যাতে সরকার পড়ে যেতে পারে… তাই তো। আমরা কি জানি সেই বৃহত আন্দোলনটা কি? ইজ ইট বিগগার দ্যান শ্রীলংকা, ইজ ইট বিগগার দ্যান মিয়ানমার, ইজ ইট বিগগার দেন দিল্লী রিজনস…ওই নব্বইদিন ধরে যে অবরোধ করে রেখেছিলো … ততদূর পর্যন্ত। আমাদের খুবই সূক্ষ্ণভাবে সেটা রচনা করা দরকার। এখানে যদি মনে করেন আন্তর্জাতিক শক্তি সাপোর্টিজ বা সমর্থন থাকবে। তবে এখানকার বে্ইল(ঘন্টা) আপনাকেই বাজাতে হবে। এই বেইল(ঘন্টা) বাজানোর ক্ষেত্রে নেতৃত্বে যোগ্যতা ইত্যাদি ইত্যাদি অনেক কিছু বিবেচনায় আসে। এই পর্যন্ত এই নেতৃত্বে বিএনপি ওয়ান্ডারফুল। অধরয্য হওয়ার কিছু নেই। বিজয় আমাদের অবিসম্ভাবী।’’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক বোরহান উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আব্দুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, শাহজাহান ওমর, বরকত উল্লাহ বুলু, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বক্তব্য রাখেন।