ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কেজি দরে তরমুজ বেচাকেনা করলেই শাস্তি!

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:০৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মার্চ ২০২৪ ৮৭ বার পড়া হয়েছে

নাটোরে তরমুজ পিস হিসেবে বিক্রির নির্দেশ দিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ

NEWS396 অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নাটোরে তরমুজ পিস হিসেবে বিক্রির নির্দেশ দিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বাজার তদারকিতে নেমে এই নির্দেশনা দেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান তানভীর।

তিনি জানান, রবিবার (১৭ মার্চ) থেকে কেউ কেজি হিসেবে তরমুজ বিক্রি করতে পারবেন না। কেজি হিসেবে তরমুজ বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গত বছর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অভিযান চালিয়ে সব মৌসুমি ফল ব্যবসায়ীকে কেজি হিসেবে তরমুজ বিক্রি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবার আবারো ব্যবসায়ীরা পিস হিসেবে তরমুজ কিনে এনে কেজি হিসেবে বিক্রি শুরু করেন এবং ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম নির্ধারণ করে বিক্রি শুরু করেন। ভোক্তা অধিকারের শনিবারের (১৬ মার্চ) অভিযানে ক্রেতারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।

সাংস্কৃতিক কর্মী রফিকুল ইসলাম নান্টু বলেন, ‘শুধু দামের ব্যাপারে দেখলেই হবে না। অপরিপক্ব তরমুজ নিয়ে এসে রাসায়নিকের মাধ্যমে লাল রং করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। সাধারণ যে কেউ দেখলেই বুঝতে পারবেন এটি পাকা তরমুজ নয়। এই তরমুজ খেলে দেহের অনেক ক্ষতি হতে পারে। এ বিষয়েও তদারকি করা জরুরি।’

অন্য এক ক্রেতা ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে খেজুর বিক্রি হচ্ছে না। বাজারে সেই দাম কার্যকর হয়নি। এ বিষয়ে সাধারণ ক্রেতার কাছ থেকে শুনে অভিযান চালালে ভালো হতো।’

এদিকে তদারকি অভিযানে শহরের নিচাবাজারে সাধন ফল ঘরকে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় চার হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন বিপণিবিতানে ঘুরে ঘুরে পণ্যের সঠিক মূল্য প্রদর্শন এবং ন্যায্য মূল্যে পণ্য বিক্রির পরামর্শ দেয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কেজি দরে তরমুজ বেচাকেনা করলেই শাস্তি!

আপডেট সময় : ০৩:০৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মার্চ ২০২৪

নাটোরে তরমুজ পিস হিসেবে বিক্রির নির্দেশ দিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বাজার তদারকিতে নেমে এই নির্দেশনা দেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান তানভীর।

তিনি জানান, রবিবার (১৭ মার্চ) থেকে কেউ কেজি হিসেবে তরমুজ বিক্রি করতে পারবেন না। কেজি হিসেবে তরমুজ বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গত বছর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অভিযান চালিয়ে সব মৌসুমি ফল ব্যবসায়ীকে কেজি হিসেবে তরমুজ বিক্রি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবার আবারো ব্যবসায়ীরা পিস হিসেবে তরমুজ কিনে এনে কেজি হিসেবে বিক্রি শুরু করেন এবং ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম নির্ধারণ করে বিক্রি শুরু করেন। ভোক্তা অধিকারের শনিবারের (১৬ মার্চ) অভিযানে ক্রেতারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।

সাংস্কৃতিক কর্মী রফিকুল ইসলাম নান্টু বলেন, ‘শুধু দামের ব্যাপারে দেখলেই হবে না। অপরিপক্ব তরমুজ নিয়ে এসে রাসায়নিকের মাধ্যমে লাল রং করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। সাধারণ যে কেউ দেখলেই বুঝতে পারবেন এটি পাকা তরমুজ নয়। এই তরমুজ খেলে দেহের অনেক ক্ষতি হতে পারে। এ বিষয়েও তদারকি করা জরুরি।’

অন্য এক ক্রেতা ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে খেজুর বিক্রি হচ্ছে না। বাজারে সেই দাম কার্যকর হয়নি। এ বিষয়ে সাধারণ ক্রেতার কাছ থেকে শুনে অভিযান চালালে ভালো হতো।’

এদিকে তদারকি অভিযানে শহরের নিচাবাজারে সাধন ফল ঘরকে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় চার হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন বিপণিবিতানে ঘুরে ঘুরে পণ্যের সঠিক মূল্য প্রদর্শন এবং ন্যায্য মূল্যে পণ্য বিক্রির পরামর্শ দেয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।