ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ-চীন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ২০২৬ সালে

ডেক্স রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৮:২৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০২৪ ৭৮ বার পড়া হয়েছে
NEWS396 অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২০২৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে  মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সই করার হবে বলে আশা করছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ব্যবধান কমে আসবে। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে যৌথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষার খসড়া প্রতিবেদন বিনিময় করেছে দুই দেশ। এ সময় চীনের রাষ্ট্রদূত এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এক অনুষ্ঠানে এ সমীক্ষা প্রতিবেদন বিনিময় করে বাংলাদেশ ও চীন। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব তপন কান্তি ঘোষ,  বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন  বলেন, বাংলাদেশ আম, কাঁঠাল, পাটসহ বিভিন্ন কৃষি পণ্য রপ্তানি করতে পারে। এতে বাণিজ্য ঘাটতি কমবে।

আইসিটি খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। 

অন্য যেসব দেশের সঙ্গে চীন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করেছে, সেসব দেশের রপ্তানি বেড়েছে জানিয়ে ইয়াও ওয়েন বলেন, এই চুক্তি করলে বাংলাদেশও সুবিধা পাবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি কমে আসবে। তিনি বলেন, গত অর্থবছরে  (২০২২-২৩) চীনে বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে  ৬৭ কোটি ৭০ লাখ ডলারের পণ্য।
এ সময় চীন থেকে বাংলাদেশ আমদানি করে দুই হাজার ২৯০ কোটি ডলারের পণ্য। এ ছাড়া চীন বাংলাদেশকে ৯৮ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয় এবং  বাংলাদেশে ৩০২ কোটি ডলারের বিনিয়োগ রয়েছে।বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, ১৪০ কোটি মানুষের বিশাল বাজার চীন। দেশটিতে বৈচিত্র্যময় পণ্য রপ্তানির বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশ বের হওয়ার আগেই দুই দেশের মধ্যে এফটিএ চুক্তি হবে।

এফটিএ হলে  আম, কাঁঠাল, আলু, পাটজাত পণ্য, হস্তশিল্প, চামড়াজাত পণ্যে বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন। এ অর্জন বিশ্বে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি সৃষ্টি এবং বিনিয়োগ ও বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টির পাশাপাশি বেশ কিছু চ্যালেঞ্জও তৈরি করবে। এর মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে পণ্য রপ্তানির সময় শুল্কমুক্ত কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা ২০২৬ সালের পরে হারানো এবং মূল্য সংযোজনের হার অন্যতম।এতে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যকে ওই সব দেশের বাজারে প্রবেশের সময় সাধারণভাবে আরোপিত শুল্কের সম্মুখীন হতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এসব দেশে বাংলাদেশের রপ্তানি বাজার সংকোচনের সম্ভাবনা রয়েছে।

কবে নাগাদ এফটিএ সই হতে পারে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এখনো চুক্তি হয়নি। এখন আলোচনা শুরু হবে। আগামী তিন বছরের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন করতে পারলে ভালো। যদি না হয়, আমাদের আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে। আলোচনা শেষ না হলে তত দিন যেন আমাদের এলডিসি হিসেবে এ সুবিধাগুলো দেয়, এ জন্য বলব।’

চুক্তির ফলে বাংলাদেশ কী ধরনের সুবিধা পাবে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে তপন কান্তি ঘোষ বলেন, ‘আমাদের প্রধান রপ্তানি পণ্য গার্মেন্টসের বাইরে আরো কিছু পণ্য আছে। আমরা এরই মধ্যে চামড়া রপ্তানি করছি। আমরা কোয়ালিটি-সম্পন্ন চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করতে পারি। চীনে ১৪০ কোটি মানুষ। হিউজ বাজার। চুক্তি হয়ে গেলে বিনিয়োগ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশের এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন-পরবর্তী সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারের অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুসারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাজার সংরক্ষণ এবং সম্প্রসারণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দেশ ও ট্রেড ব্লকের সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের উদ্যোগ নিয়েছে।

চীন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতের দেশ এবং এটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার। চীনে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য একটি বাণিজ্য সম্ভাবনাময় এলাকা। পণ্য ছাড়াও সেবা ও বিনিয়োগ খাতেও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নয়নের সম্ভাবনা রয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে দুই দেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাটজাত পণ্যের রপ্তানি সহজ করতে অনুরোধ

চীনে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি সহজ করতে দেশটিকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ। গতকাল  সচিবালয়ে চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ বিষয়ে আলোচনার কথা জানান বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক।

বস্ত্রমন্ত্রী বলেন, পাট ও পাটজাত পণ্যের জন্য চীন বড় বাজার। এই বাজারে আরো সহজে যেন বাংলাদেশি পণ্য প্রবেশ করতে পারে, এ জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। দেশটির সঙ্গে আমদানি ও রপ্তানির যে বড় ঘাটতি রয়েছে, তা কমিয়ে আনা উচিত। চীন এ ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন রাষ্ট্রদূত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশ-চীন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ২০২৬ সালে

আপডেট সময় : ০৮:২৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০২৪
২০২৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে  মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সই করার হবে বলে আশা করছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ব্যবধান কমে আসবে। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে যৌথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষার খসড়া প্রতিবেদন বিনিময় করেছে দুই দেশ। এ সময় চীনের রাষ্ট্রদূত এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এক অনুষ্ঠানে এ সমীক্ষা প্রতিবেদন বিনিময় করে বাংলাদেশ ও চীন। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব তপন কান্তি ঘোষ,  বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন  বলেন, বাংলাদেশ আম, কাঁঠাল, পাটসহ বিভিন্ন কৃষি পণ্য রপ্তানি করতে পারে। এতে বাণিজ্য ঘাটতি কমবে।

আইসিটি খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। 

অন্য যেসব দেশের সঙ্গে চীন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করেছে, সেসব দেশের রপ্তানি বেড়েছে জানিয়ে ইয়াও ওয়েন বলেন, এই চুক্তি করলে বাংলাদেশও সুবিধা পাবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি কমে আসবে। তিনি বলেন, গত অর্থবছরে  (২০২২-২৩) চীনে বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে  ৬৭ কোটি ৭০ লাখ ডলারের পণ্য।
এ সময় চীন থেকে বাংলাদেশ আমদানি করে দুই হাজার ২৯০ কোটি ডলারের পণ্য। এ ছাড়া চীন বাংলাদেশকে ৯৮ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয় এবং  বাংলাদেশে ৩০২ কোটি ডলারের বিনিয়োগ রয়েছে।বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, ১৪০ কোটি মানুষের বিশাল বাজার চীন। দেশটিতে বৈচিত্র্যময় পণ্য রপ্তানির বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশ বের হওয়ার আগেই দুই দেশের মধ্যে এফটিএ চুক্তি হবে।

এফটিএ হলে  আম, কাঁঠাল, আলু, পাটজাত পণ্য, হস্তশিল্প, চামড়াজাত পণ্যে বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন। এ অর্জন বিশ্বে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি সৃষ্টি এবং বিনিয়োগ ও বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টির পাশাপাশি বেশ কিছু চ্যালেঞ্জও তৈরি করবে। এর মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে পণ্য রপ্তানির সময় শুল্কমুক্ত কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা ২০২৬ সালের পরে হারানো এবং মূল্য সংযোজনের হার অন্যতম।এতে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যকে ওই সব দেশের বাজারে প্রবেশের সময় সাধারণভাবে আরোপিত শুল্কের সম্মুখীন হতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এসব দেশে বাংলাদেশের রপ্তানি বাজার সংকোচনের সম্ভাবনা রয়েছে।

কবে নাগাদ এফটিএ সই হতে পারে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এখনো চুক্তি হয়নি। এখন আলোচনা শুরু হবে। আগামী তিন বছরের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন করতে পারলে ভালো। যদি না হয়, আমাদের আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে। আলোচনা শেষ না হলে তত দিন যেন আমাদের এলডিসি হিসেবে এ সুবিধাগুলো দেয়, এ জন্য বলব।’

চুক্তির ফলে বাংলাদেশ কী ধরনের সুবিধা পাবে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে তপন কান্তি ঘোষ বলেন, ‘আমাদের প্রধান রপ্তানি পণ্য গার্মেন্টসের বাইরে আরো কিছু পণ্য আছে। আমরা এরই মধ্যে চামড়া রপ্তানি করছি। আমরা কোয়ালিটি-সম্পন্ন চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করতে পারি। চীনে ১৪০ কোটি মানুষ। হিউজ বাজার। চুক্তি হয়ে গেলে বিনিয়োগ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশের এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন-পরবর্তী সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারের অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুসারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাজার সংরক্ষণ এবং সম্প্রসারণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দেশ ও ট্রেড ব্লকের সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের উদ্যোগ নিয়েছে।

চীন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতের দেশ এবং এটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার। চীনে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য একটি বাণিজ্য সম্ভাবনাময় এলাকা। পণ্য ছাড়াও সেবা ও বিনিয়োগ খাতেও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নয়নের সম্ভাবনা রয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে দুই দেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাটজাত পণ্যের রপ্তানি সহজ করতে অনুরোধ

চীনে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি সহজ করতে দেশটিকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ। গতকাল  সচিবালয়ে চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ বিষয়ে আলোচনার কথা জানান বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক।

বস্ত্রমন্ত্রী বলেন, পাট ও পাটজাত পণ্যের জন্য চীন বড় বাজার। এই বাজারে আরো সহজে যেন বাংলাদেশি পণ্য প্রবেশ করতে পারে, এ জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। দেশটির সঙ্গে আমদানি ও রপ্তানির যে বড় ঘাটতি রয়েছে, তা কমিয়ে আনা উচিত। চীন এ ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন রাষ্ট্রদূত।