ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মতামত

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে কেন আমি পদত্যাগ করেছি

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০২৪ ৬৩ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অফিস অব নিয়ার ইস্টার্ন অ্যাফেয়ার্সের মানবাধিকার ও গণতন্ত্রবিষয়ক সাবেক কর্মকর্তা অ্যানেল শেলিন । ভিডিও থেকে সংগৃহীত

NEWS396 অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অফিস অব নিয়ার ইস্টার্ন অ্যাফেয়ার্সের মানবাধিকার ও গণতন্ত্রবিষয়ক সাবেক কর্মকর্তা অ্যানেল শেলিনভিডিও থেকে সংগৃহীত

গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজায় যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি বোমা ব্যবহার করে আসছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে এই বোমা হামলায় এখন পর্যন্ত ১৩ হাজার শিশুসহ ৩২ হাজার মানুষ মারা গেছেন।

অগণিত মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছেন। খাদ্য অধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ র‌্যাপোর্টিয়ার অভিযোগ করেছেন যে ইসরায়েল গাজার ২০ লাখ মানুষকে অনাহারে থাকতে বাধ্য করছে।

দাতাগোষ্ঠীর নেতারা সতর্ক করেছেন এই বলে যে যথেষ্ট খাদ্যসহায়তার ব্যবস্থা না করা গেলে এসব মানুষও মারা পড়বেন।

তারপরও ইসরায়েল রাফায় অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা করছে। গাজার মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে এই রাফাতেই আশ্রয় নিয়েছেন। জাতিসংঘের কর্মকর্তারা রাফায় অভিযানের ফলাফল অকল্পনীয় হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন।

পশ্চিম তীরে সশস্ত্র বসতি স্থাপনকারী ও ইসরায়েলি সৈন্যরা মার্কিন নাগরিকসহ ফিলিস্তিনিদের হত্যা করছে। গণহত্যাবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাদের এসব ক্রিয়াকলাপ গণহত্যা হিসেবে বিবেচিত হতে যেসব শর্ত থাকতে হয়, তার সব কটিই পূরণ করছে। আর এই গণহত্যার বাস্তবায়ন হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কূটনীতিক ও সামরিক সহায়তায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মতামত

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে কেন আমি পদত্যাগ করেছি

আপডেট সময় : ০৫:৫৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০২৪
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অফিস অব নিয়ার ইস্টার্ন অ্যাফেয়ার্সের মানবাধিকার ও গণতন্ত্রবিষয়ক সাবেক কর্মকর্তা অ্যানেল শেলিনভিডিও থেকে সংগৃহীত

গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজায় যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি বোমা ব্যবহার করে আসছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে এই বোমা হামলায় এখন পর্যন্ত ১৩ হাজার শিশুসহ ৩২ হাজার মানুষ মারা গেছেন।

অগণিত মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছেন। খাদ্য অধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ র‌্যাপোর্টিয়ার অভিযোগ করেছেন যে ইসরায়েল গাজার ২০ লাখ মানুষকে অনাহারে থাকতে বাধ্য করছে।

দাতাগোষ্ঠীর নেতারা সতর্ক করেছেন এই বলে যে যথেষ্ট খাদ্যসহায়তার ব্যবস্থা না করা গেলে এসব মানুষও মারা পড়বেন।

তারপরও ইসরায়েল রাফায় অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা করছে। গাজার মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে এই রাফাতেই আশ্রয় নিয়েছেন। জাতিসংঘের কর্মকর্তারা রাফায় অভিযানের ফলাফল অকল্পনীয় হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন।

পশ্চিম তীরে সশস্ত্র বসতি স্থাপনকারী ও ইসরায়েলি সৈন্যরা মার্কিন নাগরিকসহ ফিলিস্তিনিদের হত্যা করছে। গণহত্যাবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাদের এসব ক্রিয়াকলাপ গণহত্যা হিসেবে বিবেচিত হতে যেসব শর্ত থাকতে হয়, তার সব কটিই পূরণ করছে। আর এই গণহত্যার বাস্তবায়ন হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কূটনীতিক ও সামরিক সহায়তায়।